
★ঢাকা–৯ আসনে ধানের শীষের কান্ডারী হাবিবুর রশিদ হাবিব
একরামুল হক :
৪ নভেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার)
ঢাকা–৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে দলের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিব-এর নাম। দলীয় প্রতীকের ‘ধানের শীষ’ তুলে দিয়ে তাঁকে মূল্যায়ন করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি রাজপথের সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এক সময় তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের সময় বারবার গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন হাবিব। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে তাঁকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ১৭ মে ২০২৪ তারিখে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, হাবিবুর রশিদ হাবিব একজন পরীক্ষিত, সাহসী ও ত্যাগী নেতা। কারাবরণ, নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করেও তিনি দলের আদর্শ ও লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। কঠিন সময়েও রাজপথ ছাড়েননি। দলের দুঃসময়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঢাকা–৯ আসনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁর মনোনয়নে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে মিছিল, সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, এই আসনে ধানের শীষের দীর্ঘদিনের দাবিদার ছিলেন হাবিব, অবশেষে দলের পক্ষ থেকে তার স্বীকৃতি মিলেছে।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন,
“এই মনোনয়ন আমার একার নয়, আমার এলাকার ত্যাগী নেতাকর্মীদের। আমি আজীবন গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। জনগণই হবে আমার মূল শক্তি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় ঢাকা–৯ আসন বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। এখানে ক্লিন ইমেজ, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার রাজনীতিবিদরাই ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পান। সে হিসেবে হাবিবুর রশিদ হাবিব এ আসনে বিএনপির জন্য এক শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন অনেকে।
সব মিলিয়ে, কারাগারের অন্ধকার গহ্বর পেরিয়ে আবার জাতির প্রতিনিধিত্বের লড়াইয়ে ফিরেছেন হাবিবুর রশিদ হাবিব। এবার দেখার পালা—ঢাকা–৯-এর জনগণ তাকে কীভাবে মূল্যায়ন করে।
