একরামুল হক :
ঢাকা–১৭ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে নতুন গতি ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল লতিফ জনি। দলীয় চেয়ারম্যান ও বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের পক্ষে টানা গণসংযোগ ও প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জনে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখছেন তিনি।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গুলশান–১ এলাকার ডিসিসি মার্কেটসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যাপক গণসংযোগ করেন আবদুল লতিফ জনি। এর আগে গুলশান–২ এলাকার অলিগলি ঘুরে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালান তিনি। তার উপস্থিতিতে এলাকাজুড়ে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।
গণসংযোগকালে আবদুল লতিফ জনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ঢাকা–১৭ আসনে ধানের শীষের বিজয় মানেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের সূচনা। তিনি বলেন, এই আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হলে তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং জনগণের প্রতি দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন শতভাগ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে।
বর্তমান দেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে জনি বলেন, আজ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, কর্মসংস্থান সংকুচিত, তরুণ সমাজ হতাশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ। এই সংকটময় সময়ে দেশকে সঠিক পথে ফেরাতে প্রয়োজন শক্তিশালী, দূরদর্শী ও জনপ্রিয় নেতৃত্ব—আর সেই নেতৃত্বের নাম তারেক রহমান।
তিনি বলেন, তারেক রহমান আজ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা। ঢাকা শহরসহ দেশের সর্বত্র তার প্রতি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন প্রমাণ করে—মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র চায়।
আবদুল লতিফ জনি জনগণের জীবনমান উন্নয়নের প্রশ্নে ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে সাধারণ মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও পারিবারিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করবে।
গণসংযোগ চলাকালে গুলশানের বিভিন্ন গলিতে ধানের শীষ প্রতীক ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় জনি বলেন, তারেক রহমান রাষ্ট্রপ্রধান হলে ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পরিবার উন্নয়নের সুফল পাবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট পেলে ঢাকা–১৭ আসনকে পরিকল্পিত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা ও সুশাসনের মাধ্যমে একটি রোল মডেল সংসদীয় আসনে পরিণত করা হবে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ হবে সবার জন্য সমান অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার রাষ্ট্র—এটাই বিএনপির অঙ্গীকার।
