শেখ ফরিদ উদ্দিন ।।
রাজধানীর সাতারকুল এলাকার ৩০০ ফিট সড়ক থেকে বনশ্রী পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। রাজধানীর পূর্বান্চল এলাকার জনসাধারনের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরনে এমন যুগোপযোগী উন্নয়ন পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহন করেছেন বাড্ডা, সাতার কুল, রামপুরা এলাকা ঢাকা ১১ আসনের গণমানুষের নেতা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্পাদক ড. এম এ কাইউম। এম এ কাইউম বলেন, প্রস্তাবিত উক্ত বাইপাস সড়কটি বাস্তবায়ন হলে, অত্র এলাকার বহু দিনের জনদূর্ভোগ দূর হবে এবং জন সাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থার সুবিধা হবে। তার সাথে দেশের পূর্বান্চল সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আগত ঢাকা মুখী যানবাহনের ঢাকার মহানগরীর( যাত্রাবাড়ী – বাড্ডা রোডের) প্রগতি সরনীর উপর চাপ কমবে । আলোচিত বাইপাস সড়কটি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আজ শনিবার ১৮ এপ্রিল সকালে সরেজমিনে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, এলজিইডি-র প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়া এবং ড. এম. এ. কাইয়ুম।
এম এ কাইউম জানান, ঢাকা-১১ আসনের বাসিন্দারা প্রগতি সরণির যানজট নিয়ে নিয়মিত তাদের ভোগান্তি ও মতামত জানিয়ে আসছিল। জনগনের দাবীর প্রেক্ষিতেই এই বাইপাস সড়ক টি নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করা। গুরুত্বপূর্ণ বিশ ফিটের এই বাইপাসটি নির্মিত হলে প্রগতি সরণির ওপর যানবাহনের চাপ অনেকাংশে কমে আসবে। তবে এই বাইপাসটির পূর্ণ বাস্তবায়নে দুটি খালের ওপর সেতু নির্মাণ প্রয়োজন। জনস্বার্থে এম এ কাইউমের উদারতা : প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ করে স্থায়ী রাস্তাটি নির্মাণ করতে যতদিন সময় লাগবে, ততদিন জনস্বার্থে এম এ কাইউমের ব্যক্তি মালিকানাধীন স্বদেশ প্রপার্টিজের সানভ্যালির ভেতরের রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে প্রস্তুত করে তা বিকল্প পথ হিসেবে চালু রাখা হবে বলে ঘোষণা দেন ঢাকা ১১ আসনের জনমানুষের নেতা ড. এম এ কাইউম
