• শনি. জুন ২০, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

"ঠেকাও অপরাধ, বাঁচাও দেশ"

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

Byadmin

নভে. ৩০, ২০২৫

সোহেল রানা :
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বরাদ্দকৃত প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়ম ও আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ড্রাম ও পলিথিন ক্রয়ের জন্য ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই বরাদ্দের টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থানীয়ভাবে প্রকাশ না করে একটি ঘুপচি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গোপনে ফরিদপুরের এক ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়, যিনি নাকি তত্ত্বাবধায়কের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়।

এ কারণে মাগুরার কোনো ঠিকাদারই টেন্ডার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ঠিকাদাররা। তাঁদের ভাষ্যমতে, বরাদ্দের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫-১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও বাকি অর্থের কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।

একজন ঠিকাদার এজি অফিস সূত্রে জানতে পারেন, এই খাতের পুরো ৫০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে হাসপাতালের স্টোরকিপার গৌতম কুমারের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—যদি সত্যিই ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলো এখনো হাসপাতালের স্টোরে থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না। তাহলে বরাদ্দকৃত সামগ্রীগুলো গেল কোথায়?

এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও সংবাদ প্রকাশের আগ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকিরের কোনো আনুষ্ঠানিক মতামত পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

By admin

Editor And Publisher at Doinik Shirso Aparadh, Motijheel, Dhaka-1000.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights