কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার তিতাসের ব্যক্তির ক্রয়কৃত জমি দখল ও সুরক্ষা ওয়াল ভাঙচুর করে রোপনকৃত কাঠ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একটি আওয়ামী পরিবারের বিরুদ্ধে।
উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রামের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মনিরুজ্জামান সাতানী ইউনিয়নের বারকাউনিয়া গ্রামের মোঃ লিটন বেপারী ও আলাউদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠে।
অভিযোগে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মনিরুজ্জামান লিটন গত ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর সাফ কবলা দলিল মূলে চর কুমারীয়া মৌজায় ৫ শতক জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে জমিটি নিজ নামে খারিজ করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন।
এছাড়াও তিনি জমি ক্রয় করার পর দখল বুঝে নিয়ে পুর্ব ও উত্তরাংশে প্রায় দু লাখ টাকা ব্যয়ে সুরক্ষা প্রাচীর বা ওয়াল নির্মান করেন এবং জমির ভিতরে কাঠ গাছ রোপন করেন। সম্প্রতি মোঃ লিটন গংরা সেই প্রাচীর ভেঙে জমি তাদের কবরস্থানের সাথে অবৈধভাবে দখল করে একসাথে ওয়াল নির্মান করা হয়। জমি দখল ও ফেরত চাইলে নানাহভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
প্রমাণ হিসেবে মনিরুজ্জামান নিজ নামে জমির দলিল, খারিজ কপি ও খাজনার রশিদ জমা দিয়েছেন। এছাড়াও জমি ক্রয়, গাছ লাগানো ও সুরক্ষা ওয়াল নির্মানের বিষয়টি রোকনউদ্দিন সরকার, মামুনুর রশিদ, মোঃ নূর নবী, ইসমাইল হোসেন ও শাহনাজ আক্তারসহ অনেকেই সত্যতা স্বিকার করেছেন।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিতাস থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা ও ক্রয়কৃত জমি বৈধভাবে ফেরত দেওয়ারও দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি বৈধ মালিক হওয়া সত্ত্বেও ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আশ্রয়–প্রশ্রয়ে থাকা সন্ত্রাসী চক্র আমার জমি দখল করেছে। আমি চাই ন্যায়বিচার, আমার জমি ফেরত এবং আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ।”
এ বিষয়ে মোঃ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন গং সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কারো জায়গা দখলে নিছি নাই, ১৯৭৫ সালে এখানে আমার দাদাকে মাটি দেওয়া হইছে। পরে আমাদের বংশের আরো অনেক লোককে এখানে মাটি দেওয়া হইছে।
ওয়ারিস সূত্রেই আমরা এই জায়গার মালিক হয়ে কবরস্থানের সুরক্ষার জন্য আমরা ওয়াল নির্মান করেছি। পরে শুনেছি নাগের চরের এক লোক নাকি এই জায়গার কিছু অংশ নূরনবী চেয়ারম্যান থেকে কিনেছে, আর নূরনবী চেয়ারম্যান কিনছে মায়া রানী থেকে।
মায়ারানীকে নাকি মামুনুর রশিদ পাওয়ার দিয়েছে দিয়ারা রেকর্ডে মালিক হয়ে।
দিয়ারা রেকর্ড হলে আমাদের ওয়ারিশ কনক বিবির নামে হওয়ার কথা কিন্তু ২০১২ সালে মামুনুর রশিদের নামে দিয়ারা রেকর্ড হয় কি করে? এবং এই জায়গা নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান অবস্থায় একাধিক দলিল ও একাধিক খারিজ হয় কি করে? এটা সম্পূর্ণ জালিয়াতি, আমি সকল সাংবাদিকদের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জে যাইতে চাই।
