বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো
বরিশালের উজিরপুর মডেল থানায় ৯ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ৪ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উজিরপুর মডেল থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, একটি থানার অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুধু প্রশাসনিক কাজকে গতিশীল করে না, বরং সাধারণ মানুষের জন্য পুলিশি সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করে তোলে। নতুন ভবন নির্মাণের ফলে উজিরপুর মডেল থানার কার্যক্রম আরও আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এজেডএম মোস্তাফিজুর রহমান, উজিরপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সৌমেন, বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফ ইবনে নাজির। এছাড়াও উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিক নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন উজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ এমদাদুল কাশেম সেন্টু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন শরীফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম রবিউল, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম আসাদ, প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ হাওলাদার, সদস্য খলিলুর রহমান, আহাদ হোসেন সুমন এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সরদার আব্দুর রহিম ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মাসুমসহ আরও অনেকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৪ তলা বিশিষ্ট এ ভবন নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বাবর এসোসিয়েটস, ৩৬ ইন্দিরা রোড, ঢাকা। প্রায় ৯ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ভবনটি সম্পন্ন হলে থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
উদ্ভোদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যারা অনলাইন জুয়ায় আসক্ত তাদের চলমান আইনের আওতায় এনে সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সন্দেহের তালিকায় থাকা পুলিশ সদস্যদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্ট করা হবে। কেউ মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, এমনকি চাকরিচ্যুতিও হতে পারে। পরে তিনি উজিরপুর মডেল থানার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

