মাহমুদুল হাসান:
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জ) আসনে গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও -এর সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করেন অপু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম পান ৬৭ হাজার ৭৮৫ ভোট। অন্য দুই প্রার্থী তুলনামূলকভাবে অনেক পিছিয়ে থাকেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৯৯ জন। ১১৭টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চারজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন—বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, জামায়াতে ইসলামীর আজহারুল ইসলাম, মনোনীত হানিফ মিয়া এবং মনোনীত আব্দুল হান্নান।
ভোটের শুরু থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। দিনভর শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণার পর অপু সমর্থকদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
বিজয়োত্তর প্রতিক্রিয়ায় মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, “এই বিজয় আমার একার নয়, শরীয়তপুর-৩ আসনের সর্বস্তরের মানুষের বিজয়। জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে যে আস্থা রেখেছেন, আমি সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করব। এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে জনগণ পরিবর্তন চায় এবং তারা বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে। আগামী দিনে শরীয়তপুর-৩ আসনকে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নিয়মিত জনসংযোগ, সাংগঠনিক তৎপরতা ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণেই মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এ বিপুল জনসমর্থন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই বিজয়কে তারা গণমানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

