
এস এম শাহ্জালাল সাইফুল:
কুমিল্লা-০১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে মেঘনা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ঐতিহাসিক গণমিছিল।

শনিবার (২৯ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরের পর থেকেই গণমিছিলকে কেন্দ্র করে পুরো উপজেলাজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
উপজেলার প্রতিটি সড়কজুড়ে মানুষের ঢল
সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়নের শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিছিল-সমাবেশের ব্যানার–পতাকা হাতে নৌকা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, পিকআপ ও পায়ে হেঁটে সমবেত হতে থাকেন।হাজীগাঁও বাজার, বাহেরচর, বাগানবাড়ি, গোবিন্দপুরসহ পুরো এলাকায় দেখা যায় মানুষের স্রোত।
রাস্তার দুই পাশে নারী-পুরুষ ও শিশুরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে প্রার্থীকে স্বাগত জানান। স্থানীয় এক প্রবীণ বলেন—“৩০-৩৫ বছরে এমন গণমিছিল দেখিনি। মনে হচ্ছে মেঘনা জেগে উঠেছে।”প্রার্থীকে ঘিরে উচ্ছ্বাস–উদ্দীপনার বিস্ফোরণ
গণমিছিলে ড. মোশাররফ হোসেনকে ঘিরে ছিল নেতাকর্মীদের তুমুল উচ্ছ্বাস। তরুণদের কণ্ঠে একটাই স্লোগান—“গণতন্ত্রের প্রতীক—ধানের শীষ!”
তরুণদের দাবি—
“আমরা পরিবর্তন চাই, নিরাপদ ভবিষ্যত চাই। আজকের সমাবেশ আগামী দিনের বিজয়ের অঙ্গীকার।”
ড. মোশাররফ হোসেনের হৃদয়ছোঁয়া বক্তব্য
গণমিছিল শেষে জনসমাবেশে ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন—“মেঘনা–দাউদকান্দির মানুষের ভালোবাসা আমাকে নতুন শক্তি দেয়। পরিবর্তনের স্রোত তৈরি করেছেন আপনারাই। ধানের শীষের বিজয় মানে মানুষের বিজয়।”তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—নদীভাঙন, বেকারত্ব, কৃষকদের সংকট, অবকাঠামোর দুর্দশা—এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান তিনি নিশ্চিত করবেন।নেতাকর্মীদের মন্তব্য—‘এটাই গণঅভ্যুত্থানের রূপ’
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, এই গণমিছিল কেবল সমাবেশ নয়—এটি আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থনকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেনমেঘনার জনসমুদ্র দেখিয়ে দিয়েছে জনগণ কাকে চায়। এ সমাবেশই আগামী দিনের বিজয়ের ভিত্তি।”
শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন পুরো কর্মসূচি
বৃহৎ গণসমাবেশ হলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় কমিটির সদস্যরা মিছিলকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করেন।
নৌপথের মানুষের জন্য আলাদা নির্দেশনা, রাস্তায় নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং মানবশৃঙ্খল ছিল চোখে পড়ার মতো।
মেঘনার মানুষের নতুন আশার আলো
স্থানীয় কৃষক, শ্রমজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তরুণদের প্রত্যাশা—একজন অভিজ্ঞ প্রশাসক, মুক্তিযোদ্ধা ও দূরদর্শী নেতা হিসেবে ড. মোশাররফ হোসেন তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান দিতে পারবেন।এক গৃহিণীর ভাষায়—“আমরা উন্নয়ন চাই, শান্তি চাই। আজকের এই মিছিল আমাদের আশাকে আরও বড় করেছে।”
