
সাইমুল রাজু, স্টাফ রিপোর্টার:
চাকরি জাতীয়করণ, নবম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তি এবং শতভাগ উৎসব ভাতাসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিনিধিরা।
রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা বলেন, দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পাঠদান এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা পরিচালনা করলেও তারা এখনও বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্যের শিকার। এ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার মানও প্রভাবিত হচ্ছে বলে তাদের দাবি।
তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও একযোগে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে নিয়োগ বন্ধ, শিক্ষা প্রশাসনে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অপসারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত এবং চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীত করার আহ্বান জানানো হয়।
এ ছাড়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে দ্রুত বদলি কার্যক্রম চালুর দাবি জানান বক্তারা।
তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—শতভাগ উৎসব ভাতা, সরকারি হারে বাড়িভাড়া, শিক্ষা কল্যাণ ও শ্রান্তিবিনোদন ভাতা চালু, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ দ্রুত পরিশোধ এবং অতিরিক্ত কর্তনের বিপরীতে ন্যায্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
শিক্ষা খাতে জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি দ্রুত জাতীয়করণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান শিক্ষক নেতারা।
