• রবি. জুন ১৪, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

"ঠেকাও অপরাধ, বাঁচাও দেশ"

তরুণদের কর্মসংস্থানে ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

Byadmin

ডিসে. ২৪, ২০২৫

ডিজিটাল ডেস্ক :
বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয় বৃদ্ধির সুযোগ বাড়াতে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার (১৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন) অর্থ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থায়নের মাধ্যমে বিশেষভাবে নারী ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস জানায়, এই অর্থায়ন ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (RAISE) প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হচ্ছে। নতুন এই সহায়তার ফলে পূর্বনির্ধারিত ২ লাখ ৩৩ হাজার সুবিধাভোগীর পাশাপাশি আরও ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণ এই প্রকল্পের আওতায় আসবে।

প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পাবেন। এসব উদ্যোগ তাদের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা ও কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে উন্নত শিশু যত্ন কেন্দ্র (চাইল্ড কেয়ার) এবং জলবায়ু সহনশীল জীবিকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর গেল মার্টিন বলেন,
“একটি ভালো চাকরি একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সমাজকে বদলে দিতে পারে। প্রতিবছর বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান পাচ্ছে না। এই অতিরিক্ত অর্থায়ন নিম্ন আয়ের পরিবারের তরুণদের, বিশেষ করে নারীদের, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা ও সম্পদ অর্জনে সহায়তা করবে।”
প্রকল্পের টিম লিডার অনিকা রহমান বলেন,
“RAISE প্রকল্প ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে মানসম্মত শিশু যত্নের মতো উদ্ভাবনী উদ্যোগ যুক্ত করা হচ্ছে, যা নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হবে।”
বিশ্বব্যাংক আরও জানায়, প্রকল্পটি শহরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রামীণ পর্যায়েও সম্প্রসারণ করা হবে। বাড়িভিত্তিক সাশ্রয়ী ও মানসম্মত শিশু যত্ন সেবা চালুর লক্ষ্যে নারীদের প্রশিক্ষণ ও স্টার্ট-আপ অনুদান দেওয়া হবে। এতে একদিকে নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সংযোগ তৈরির জন্য জব ফেয়ার বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৮০ শতাংশেরও বেশি শিক্ষানবিশ কোর্স শেষ করার তিন মাসের মধ্যে কর্মসংস্থান পেয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজারের বেশি করোনা-ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি বিদেশ ফেরত অভিবাসীকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

By admin

Editor And Publisher at Doinik Shirso Aparadh, Motijheel, Dhaka-1000.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights