নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী চার বছরের মধ্যে দেশজুড়ে চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল উদ্যোগ, যার মাধ্যমে পরিবারভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৯৫টির বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু থাকলেও প্রত্যাশিত হারে দারিদ্র্য কমেনি। তাই ব্যক্তি নয়, পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্র ধরে নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের নারী প্রধানের নামে দেওয়া হবে। এতে করে সহায়তার অর্থ খাদ্য, পুষ্টি, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় বাড়বে এবং একই সঙ্গে পরিবারে নারীর ক্ষমতায়নও নিশ্চিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে ১৩ জেলার কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারী-প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা সম্ভব হবে।
