
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ): আগামী এক বছরের মধ্যে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু করার জোরালো আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধানে চলমান এই মেগা প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের প্রায় ৯৭ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট সামান্য কিছু কারিগরি কাজ শেষ করে আগামী ১২ মাসের মধ্যে এটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নির্মাণাধীন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা মেগাসিটির দুই সিটি কর্পোরেশনে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ নির্ভরতা কমিয়ে আনা এবং সম্ভাব্য পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। মেঘনা নদীর উপরিভাগের পানি (সারফেস ওয়াটার) প্রক্রিয়াজাত করে রাজধানীতে সরবরাহের লক্ষ্যে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। রূপগঞ্জে বাস্তবায়নাধীন ‘এনভায়রনমেন্টালি সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট’ (ডিইএসডব্লিউএসপি) বর্তমানে দেশের পানি সরবরাহ খাতের অন্যতম বৃহত্তম একটি প্রকল্প।
তিনি আরও জানান, মেঘনা নদী থেকে পানি সংগ্রহ করে তা সুপেয় পানিতে রূপান্তর করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। এই মেগা প্রকল্পের অধীনে নদীতে ওয়াটার ইনটেক বা পানি গ্রহণ কেন্দ্র, কাঁচা পানি পরিবহনের পাইপলাইন, দৈনিক ৫০ কোটি লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন শোধনাগার এবং পরিশোধিত পানি সরবরাহের জন্য বিশাল ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
