
এমদাদুর রহমান :
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে। এর অংশ হিসেবে সিলেট বিভাগে আগামী পাঁচ বছরে অন্তত ১ কোটি ২৫ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও বেশি গাছ লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার সিলেটে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ অক্সিজেন গ্রহণ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে, অন্যদিকে গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন ছাড়ে। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। যেসব এলাকায় যথাযথভাবে বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ হয় না, সেসব এলাকায় পরিবেশদূষণ ও ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। তাই পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিতভাবে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
সিলেটে বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জেলার বিভিন্ন খাল ও জলাশয়ের দুই পাশে গাছ লাগানো হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে সম্পৃক্ত করা হবে।
তিনি জানান, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে প্রায় ১৭ কিলোমিটার সুরমা নদীর পাড়ের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি গাছ লাগানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
