ওয়াজেদ নয়ন | ব্যুরো চীপ জামালপুর
একদিকে দেশের বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা, অন্যদিকে সেই উন্নয়নের মাঝেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন ১৩টি পরিবার। এমন চিত্র দেখা গেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার আতামারী এলাকায় নির্মাণাধীন ১০০ মেগাওয়াট সোলার প্রকল্পের ভেতরে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই এসব পরিবারের বসতভিটা হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে সোলার প্রকল্পের জন্য চারপাশে মাটি কাটার ফলে তাদের ঘরবাড়ি তুলনামূলক নিচু হয়ে পড়েছে,পানি জমে যার কারণে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় অনেক পরিবারকে সরিয়ে অন্যত্র নতুন ঘর দেওয়া হলেও তারা এখনো রয়ে গেছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ঘর দেওয়ার আশ্বাস পেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
তারা আরও বলেন,
“দেশের উন্নয়নের জন্য আমরা আমাদের জমিজমা ও ঘরবাড়ি ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু বিনিময়ে আমরা কী পেলাম? শুধু ঘর দিলেই হবে না, আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করতে হবে।”
বর্তমানে তাদের জীবনযাত্রা চরম কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির সময় রান্নার চুলা পানিতে ডুবে যায়, নেই বিদ্যুৎ সংযোগ, আশেপাশে নেই নিরাপদ বসতি। শিশুদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, গবাদিপশু নিয়েও চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে তাদের।
এদিকে প্রকল্প এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো প্রজেক্ট ডিরেক্টরকে সরেজমিনে পাওয়া যায়নি। তবে ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প ডেপুটি ডিরেক্টর জানান, “আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করা হবে।”
স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও জীবনমান উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। এখন কতটুকু বাস্তবে ফিরে পায় এটি দেখার পালা
অন্য দিকে সোলার প্যানেলের কাজ করার জন্য যে শ্রমিক গুলো কাজ করছে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে তারা যেন বজ্রপাতে কবলে না পড়ে এসে বিষয়ে দ্রুত কার্যকারী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
