• বুধ. সেপ্টে ৯, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

ঘটনার অন্তরালের সত্য উদ্‌ঘাটনে

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নাম

BySarker

জুলা ২০, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নবনির্বাচিত নেতা অ্যান্ডি বার্নাম যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

শুক্রবার অনুষ্ঠিত লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে জয়লাভের পর বার্নামের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন করেছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণের দিনই মন্ত্রিসভার তালিকা ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া বক্তব্যে বার্নাম বলেন, যুক্তরাজ্যকে নতুনভাবে গড়ে তোলাই হবে তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জনসেবা খাতের সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজা চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর রাজা নতুন সরকার গঠনের জন্য অ্যান্ডি বার্নামকে আমন্ত্রণ জানাবেন। এরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বার্নামের সামনে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, স্বাস্থ্য ও জনসেবা ব্যবস্থার সংস্কার এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। পাশাপাশি নতুন অর্থমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগও তার প্রথম দিকের অগ্রাধিকার হবে।

লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে নিজের জয়কে ব্রিটিশ রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন বার্নাম। তিনি আরও বলেন, তার সরকার আরও স্থিতিশীল, দায়িত্বশীল এবং জনমুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে কাজ করবে।

এদিকে সরকার গঠনের আগেই দল অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সব কর্মজীবীর জন্য বাধ্যতামূলক ডিজিটাল পরিচয়পত্র চালুর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। একই সঙ্গে করনীতি, সরকারি ব্যয়, জ্বালানি খাত এবং আর্থিক সংকটে থাকা জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

বার্নামের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা জানিয়েছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, অর্থনীতিকে গতিশীল করা এবং জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোই হবে নতুন সরকারের প্রথম পর্যায়ের প্রধান কর্মসূচি।

By Sarker

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights