
দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি:
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহি গুণী গ্রামের শামসুল হক ভূঁইয়া বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল লতিফ জনির গ্রামের বাড়ি এটি। একই রাতে ওই বাড়ির আশপাশে আরও দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের কোনো একসময়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা বাড়ির সিসি ক্যামেরা ও বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়। আকস্মিক এই চুরির ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং দ্রুত যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ এ ঘটনায় কোনো কার্যকর বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তায় স্থানীয়দের মনে তীব্র উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল লতিফ জনির মতো একজন প্রভাবশালী ও পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাড়িতে চুরির পর যদি পুলিশি দ্রুত পদক্ষেপ বা নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তবে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা কোথায় গিয়ে ঠেকবে? সাম্প্রতিক সময়ে দাগনভূঞা সংসদীয় এলাকার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চুরি-ছিনতাই রোধে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরও বেড়ে যেতে পারে।
