• মে ২০, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

"ঠেকাও অপরাধ, বাঁচাও দেশ"

ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ যুদ্ধ: কাতার, বাহরাইন, সৌদি ও আমিরাতে মুহুর্মুহু হামলা

Byadmin

মার্চ ৯, ২০২৬

নিজস্ব প্র্র্তিবেদক:

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরান–এর বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর অতর্কিত হামলার পর পাল্টা আঘাত হানছে তেহরান। সোমবার (৯ মার্চ) যুদ্ধের দশম দিনে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক দেশে। নতুন করে কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান।

চলমান হামলা-পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আহত হয়েছেন শত শত মানুষ।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে সিরিজ হামলা চালাচ্ছে ইরানি বাহিনী।

দোহার আকাশে বিস্ফোরণ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় চার ঘণ্টা আগে কাতারের রাজধানী দোহা লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করার দাবি করেছে কাতার। আল জাজিরার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, দোহার আকাশে অন্তত ১২টি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বাহরাইনে ড্রোন হামলা

অন্যদিকে বাহরাইন জানিয়েছে, সিত্রা এলাকায় ইরানি ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সৌদিতে তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে হামলা

এদিকে Saudi Ministry of Defense জানিয়েছে, দেশের শেবাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে অধিকাংশ ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত করা হয়েছে এবং তেলক্ষেত্রটি খালি থাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এ ছাড়া রাজধানী রিয়াদ–এর উত্তরে আরও দুটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ইরান হামলা বন্ধ না করলে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সৌদি আরব।

আমিরাতে অগ্নিকাণ্ড

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, আকাশে কয়েকটি প্রজেক্টাইল ধ্বংস করা হলেও ধ্বংসাবশেষ পড়ে ফুজাইরাহ এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক দেশ সরাসরি হামলার মুখে পড়ায় সংঘাত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights