• সোম. সেপ্টে ৭, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

ঘটনার অন্তরালের সত্য উদ্‌ঘাটনে

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা, দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান

BySarker

সেপ্টে ৭, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটিতে অনিয়মিত ও নথিবিহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকায় গ্রেপ্তার এড়িয়ে সরকারি সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশিদের আইনসম্মত ও নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিতে মালয়েশিয়া সরকার মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০ (পিআরএম ২.০) চালু করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশে ফেরার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈধ ও মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাসপোর্ট না থাকলে কিংবা মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করা যাবে।

এরপর নিশ্চিত বিমান টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন অ্যাপয়েন্টমেন্টের অন্তত পাঁচ দিন পর এবং ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।

আবেদনকারীকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ নেই।

আবেদনের সময় পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো ও নতুন পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত বিমান টিকিটও থাকতে হবে।

অবৈধ বাংলাদেশিদের দালালদের বিষয়ে সতর্ক করে তরিকুল ইসলাম বলেন, পিআরএম ২.০-এর আওতায় আবেদন করতে কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করলে সতর্ক থাকতে হবে।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলার মধ্যে হাইকমিশনের এ সতর্কবার্তা এসেছে। গ্রেপ্তার হয়ে আইনি জটিলতায় পড়ার আগেই সরকারি কর্মসূচির আওতায় দেশে ফেরার সুযোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কর্মসূচির সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

By Sarker

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights