• মে ১৯, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

"ঠেকাও অপরাধ, বাঁচাও দেশ"

উজিরপুরে গণভোটের দাবিতে মিছিল, অংশ নিলেন শতাধিক মানুষউজিরপুরে গণভোটের দাবিতে মিছিল, অংশ নিলেন শতাধিক মানুষ

বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো

গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য, বরিশাল জেলা। রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার ইচলাদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকশ মানুষ অংশগ্রহণ করেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

বিক্ষোভ মিছিলটি ইচলাদি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। পরে মিছিলটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেয়, যেখানে নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক। বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল মান্নান মাস্টার, একই আসনের অপর প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মোঃ কামরুল ইসলাম খান, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সাইয়েদ আহমেদ খান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজম খান এবং ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা মোঃ কাওসার হোসেন। এছাড়া উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসাইনও বক্তব্য দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি’র জেলা সদস্য সচিব মোঃ আবু সাঈদ ফেরদৌস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতি কর্মসূচিটিকে আরও সমন্বিত ও শক্তিশালী করে তোলে বলে আয়োজকরা জানান।

বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় জনগণের প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রতিফলিত করে। তাই এ রায় বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে জনগণের এই দাবি পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে “গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল” লেখা ব্যানার দেখা যায়। ব্যানারের দুই পাশে মুষ্টিবদ্ধ হাতের প্রতীক ব্যবহার করা হয়, যা প্রতিবাদ ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজন হয়নি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয়ভাবে স্বস্তির বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights