নিজস্ব প্রতিবেদক :
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষাকে আরও কর্মমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও ভবিষ্যত-উপযোগী করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
গত ২০ মে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত -এ শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্য দপ্তরের আন্তর্জাতিক শিক্ষা কৌশল বাস্তবায়ন শাখার প্রধান -এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
-এর সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাজ্যভিত্তিক দক্ষতা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান -এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তোলা, শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ জোরদার, বাজার ও চাহিদাভিত্তিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দেশের জাতীয় চাহিদা ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। উভয় পক্ষ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের যোগ্যতা বৃদ্ধিতে যৌথভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন -এর কে-১২ এডুকেশনের গ্লোবাল লিড -এর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে ক্যানভা কর্মকর্তারা বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষা, সৃজনশীলতা, শ্রেণিকক্ষের সম্পৃক্ততা এবং ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ উন্নয়নে ক্যানভার শিক্ষা সেবার সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশের দুটি বিদ্যালয়কে ক্যানভার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেন, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্যানভার প্রিমিয়াম শিক্ষা সেবা ব্যবহার করতে পারেন। ভবিষ্যতে এ সুবিধা দেশের আরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্প্রসারণ করা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যা হবে সৃজনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যতের চাহিদা উপযোগী।
