• মঙ্গল. জুলাই ৭, ২০২৬

The Daily Shirso Aparadh

"ঠেকাও অপরাধ, বাঁচাও দেশ"

সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

Byদৈনিক শীর্ষ অপরাধ

জুলাই ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যকে আরও সুরক্ষিত করতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক আইন ও প্রশাসনিক কাঠামো আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হলো।

রোববার (৬ জুলাই) লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (IMO)-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের দলিল হস্তান্তর করেন।

বাংলাদেশ যে তিনটি কনভেনশনে যোগ দিয়েছে সেগুলো হলো— ১৯৯২ সালের সিভিল লায়াবিলিটি কনভেনশন (CLC Protocol), ২০০১ সালের বাঙ্কার কনভেনশন (Bunker Convention) এবং ২০০৭ সালের নাইরোবি রেক রিমুভাল কনভেনশন (Wreck Removal Convention)।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব কনভেনশনের আওতায় তেল দূষণ, বাঙ্কার জ্বালানিজনিত পরিবেশদূষণ কিংবা জাহাজডুবির ঘটনায় দায় নির্ধারণ ও বাধ্যতামূলক বীমার ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। ফলে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ দ্রুত ও কার্যকরভাবে আদায় করা সহজ হবে।

এ উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজকে আর বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কনভেনশন সনদ নিতে হবে না। এতে সময় ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বন্দর, চার্টারার ও বীমা প্রতিষ্ঠানের কাছে বাংলাদেশের জাহাজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। বিদেশি বন্দরে অপ্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও বাণিজ্যিক বিলম্বও কমবে।

বিশ্বের শতাধিক দেশ ইতোমধ্যে এসব কনভেনশনের সদস্য। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক মানদণ্ডের সঙ্গে দেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নৌপরিবহন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights