• বৃহঃ. জুলা ২৩, ২০২৬

প্রবাসে থেকে শিক্ষা উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল খন্দকার

BySaiful

জুলা ২৩, ২০২৬

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নৈয়াইর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার নিরাপত্তা ও সৌন্দর্যবর্ধনে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক এসএস স্টিলের প্রধান ফটক নির্মাণ করে দিয়েছেন বিটেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও সমাজসেবক মো. বাবুল খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরে প্রবাসজীবন কাটালেও নিজ এলাকার শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে নিয়মিত অবদান রেখে চলেছেন তিনি।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসার চারপাশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক নকশার একটি প্রধান ফটক নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন এই ফটক মাদ্রাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে।


মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মহসিন উদ্দিন বলেন, “বাবুল খন্দকারের এই সহযোগিতা মাদ্রাসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতো সমাজসেবীরা এগিয়ে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আরও সমৃদ্ধ হবে।”
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দিন মিয়াজী বলেন, “প্রধান ফটক নির্মাণের মাধ্যমে মাদ্রাসার নিরাপত্তা ও পরিবেশের উন্নয়ন হয়েছে। আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”
গৌরীপুর মুন্সী ফজলুল হক কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, “বাবুল খন্দকার সবসময় শিক্ষা ও মানবকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকেন। তাঁর এই উদ্যোগ অন্যদেরও সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।”
অভিভাবক সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “প্রবাসে থেকেও তিনি এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি। তাঁর মতো দানশীল মানুষের সহযোগিতায় আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাচ্ছে।”


মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বাবুল খন্দকার শুধু প্রধান ফটক নির্মাণেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য দুটি ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আশ্বাসও দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে সহযোগিতা করে আসছেন।


১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত নৈয়াইর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে মহিউদ্দিন ভূঁইয়া, আলহাজ কালু মাস্টার, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর, মহসিন উদ্দিন গাজী এবং বাবুল খন্দকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।


স্থানীয়দের মতে, বাবুল খন্দকারের সর্বশেষ এই উদ্যোগে মাদ্রাসার সার্বিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে তাঁর ধারাবাহিক অবদান এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত হচ্ছে।

By Saiful

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights