• সোম. আগ ১৭, ২০২৬

Daily Shirso Aparadh

ঘটনার অন্তরালের সত্য উদ্‌ঘাটনে

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

ByShirso Aparadh

আগ ১৭, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকার নারীদের উচ্চশিক্ষা প্রসারে বদ্ধপরিকর এবং সেই লক্ষ্যে নারীদের অনার্স পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা অবৈতনিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভার সরকার বহন করবে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে ভালো ফলাফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্থানীয় জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন তিনি নারীদের শিক্ষা ইন্টারমিডিয়েট (উচ্চ মাধ্যমিক) পর্যন্ত অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন।”

নারীদের উন্নয়নের অপরিহার্যতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই বিশাল নারী সমাজকে পেছনে রেখে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে।”

সেখানে উপস্থিত নারী শিক্ষার্থী ও তরুণীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখানে অনেক বোন ও সন্তানতুল্য মেয়েরা আছে। তোমাদের ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে, যাতে বড় হয়ে তোমরা এ দেশের হাল ধরতে পারো। শুধু তাই নয়, যেসব মেয়েরা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য সরকার থেকে বিশেষ উপবৃত্তিরও ব্যবস্থা করা হবে।”

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তায় সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গরিব পরিবারের শিশুদের আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বছরে একবার স্কুল ড্রেস দিতে চাই। শুধু স্কুল ড্রেস নয়, প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুর হাতে পর্যায়ক্রমে স্কুল ব্যাগও পৌঁছে দিতে চাই। প্রতিবছর নতুন বই দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নতুন স্কুল ব্যাগ ও স্কুল ড্রেসও আমরা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।”

নারীদের স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের নারী সমাজকে যেমন শিক্ষায় সামনে এগিয়ে নিতে চাই, একইভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, বাংলাদেশের চার কোটি পরিবারের মধ্যে যে নারী পরিবারের প্রধান ও সংসার পরিচালনা করেন, পর্যায়ক্রমে তাঁর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে। আল্লাহর রহমতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights