• বৃহস্পতি. জুলাই ৯, ২০২৬

ফেঞ্চুগঞ্জে সাংবাদিক লাভলু মিয়ার দুই ছেলে নিখোঁজ: মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির অভিযোগ

ByShirso aparadh

জুলাই ৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ছত্তিশ গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক মোঃ লাভলু মিয়ার দুই শিশু সন্তান রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও চরম গাফিলতির কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। সন্তানদের নিরাপত্তার বিষয়ে সময়মতো অভিভাবকদের অবহিত না করায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

নিখোঁজ দুই শিশু হলো সালমান (চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী) ও মাহিন (তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী)। তারা ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিম বাজারে অবস্থিত মদিনাতুল উলুম হযরত শাহ মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ের শিক্ষার্থী।

পরিবার জানায়, গত ৪ জুলাই (শুক্রবার) প্রতিদিনের মতো দুই ভাই মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ। অথচ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি অভিভাবকদের জানায়নি। এমনকি কয়েকদিন ধরে তারা বোর্ডিংয়ে না থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের খোঁজখবর নেওয়া বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন মনে করেনি বলে অভিযোগ পরিবারের।

মঙ্গলবার বিকেল প্রায় ৪টার দিকে সাংবাদিক মোঃ লাভলু মিয়া নিজেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানতে পারেন, দুই শিশু গত শুক্রবার থেকেই মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিল না। বিষয়টি জানার পর পরিবারে নেমে আসে শোক, উৎকণ্ঠা ও আতঙ্ক।

স্বজনদের প্রশ্ন, একটি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থী টানা কয়েকদিন অনুপস্থিত থাকলেও কেন কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের অবহিত করেনি? শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অনুপস্থিত থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা কি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়?

পরিবারের দাবি, সময়মতো বিষয়টি জানানো হলে হয়তো শিশুদের দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ, শিশুদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

যোগাযোগ:
মোঃ লাভলু মিয়া
গ্রাম: ছত্তিশ, উপজেলা: ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা: সিলেট
মোবাইল: ০১৭৩৯-৩৮৫৯৮৮

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সালমান ও মাহিনের সন্ধান পেলে অনুগ্রহ করে উপরোক্ত নম্বরে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিঃদ্রঃ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Verified by MonsterInsights