
মাহমুদুল হাসান:
রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাস-এ সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে তিনি বলেন, বাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। একই সঙ্গে তিনি সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে সংবিধান ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক। অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় বাহিনীকে দুর্বল বা বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি পিলখানা হত্যাকাণ্ড-এর প্রসঙ্গও তোলেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়—বিশেষ করে নির্বাচনকালীন—সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আরও স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন। ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সময় এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে বাহিনীর দায়িত্ব পালনের প্রশংসাও করেন তিনি।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে জিয়াউর রহমান-এর অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, সেই দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব ধরে রাখা জরুরি।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সাফল্যকে বিশ্বস্বীকৃত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাহিনীকে পেশাদারত্ব ও আদর্শিক অবস্থান অটুট রাখতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিকভাবে সমীহ অর্জন ও দেশের মানুষের আস্থা বজায় থাকে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/