

সাইমুল রাজু, স্টাফ রিপোর্টার:
নির্বাচিত হলে ঢাকা শহরকে নিরাপদ শহর এবং ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি ও রাস্তা প্রশস্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬ আসনের এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের অঙ্গীকার করেন। এ ছাড়া তুরাগ নদের উপর ব্রিজ স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী মানুষকে ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করে বিভিন্ন রকম কথা বলে যাচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি, দেশ স্বাধীনের সময় কীভাবে তারা দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা ভেতরে ভেতরে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে। ১২ তারিখের নির্বাচন দেশ পুনর্গঠন, মানুষ এবং দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের নির্বাচন। এ সময় দেশ গড়ার জন্য সারা দেশে ধানের শীষের জন্য ভোট চান তিনি। একইসঙ্গে ভোটের ফল যাতে কেউ পাল্টাতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান বিএনপি’র চেয়ারম্যান। গতকাল দিনব্যাপী ঢাকার ৭টি আসনে পৃথক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিকালে প্রথমে ঢাকা-১৭ আসনে নিজের নির্বাচনী এলাকা ইসিবি চত্বরের জনসভায় বক্তব্য দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর একে একে ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১২ ও সর্বশেষ ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচনী এলাকা বাড্ডার সান ভ্যালি মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি। প্রতিটি জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। তারেক রহমানকে একনজর দেখতে বিভিন্ন বাড়ির বেলকনিতে নারী, পুরুষ এবং শিশুদের দাঁড়াতে দেখা গেছে। এ সময় তারেক রহমান তাদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। বক্তব্য দেয়ার সময় ৬টি আসনের প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থীর হাতে কোদাল প্রতীক তুলে দিয়ে উপস্থিত জনতাকে পরিচয় করিয়ে দেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান।
ইসিবি চত্বরে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের পথসভায় তারেক রহমান বলেন, আমার দল ইনশাআল্লাহ আপনাদের ভোটে এবং এই দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হলে আমরা সমগ্র দেশের শহর, এই ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ শহরে রূপান্তরিত করতে চাই। যেই শহরে মা-বোনরা নিরাপদে নিশ্চিন্তে যেকোনো সময়ে হাঁটতে পারবেন, যেই শহরের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি করতে পারবেন। আমরা ঢাকাকে একটি সুন্দর শহর গড়ে তুলতে চাই। যেই শহরের মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবেন। আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে বিএনপি ১২ তারিখে সরকার গঠন করলে শুধু এই এলাকাতে নয়, ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি করবো। যাতে করে আমাদের সন্তানরা খোলা মাঠে খেলাধুলা করতে পারে, যাতে করে আমাদের মুরুব্বিরা, মা-বোনরা বিকাল বেলায় বা তাদের প্রয়োজনের সময় যেন মাঠে হাঁটা-চলা করতে পারেন। এ সময় দেশ গড়ার জন্য সারা দেশে ধানের শীষের জন্য ভোট চান তিনি।

নিজের পরিচয় দিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমি আপনাদের প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থী, এই এলাকা থেকে ঢাকা-১৭ থেকে প্রার্থী হয়েছি। আমি এই এলাকারই সন্তান, আমি ছোটবেলা থেকে, আমার শিশু বয়স থেকে আমি এই এলাকাতেই বড় হয়েছি, আমার সন্তান এই এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছে, আমার এবং আমার ভাইয়ের, আমাদের বিয়েশাদি এই এলাকাতেই হয়েছে। কাজেই আমি এই এলাকারই সন্তান এবং এলাকার সন্তান হিসেবে এই এলাকার মুরুব্বি, এলাকার মানুষের কাছে, এই এলাকার ভাইদের কাছে, এলাকার বোনদের কাছে আজ আমি ধানের শীষের জন্য ভোট চাইছি। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার জন্য আমার এলাকাবাসী ভাই-বোন, মুরুব্বিদের আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, যাতে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনারা এই এলাকায় ধানের শীষকে ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত করেন। একইসঙ্গে এলাকার ইসিবি চত্বর থেকে জসিম উদ্দিন পর্যন্ত সড়ক প্রস্তুত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তারেক রহমান।দেশ পুনর্গঠন একমাত্র লক্ষ্যেনিজের নির্বাচনী এলাকায় বক্তব্য দিয়ে ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হকের নির্বাচনী এলাকা পল্লবী ২নং ওয়ার্ড লাল মাঠে জনসভায় যোগ দেন তারেক রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, আজকে সময় এসেছে দেশের এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে। সামনে আমাদের একটি বিশাল বড় কাজ আছে। ১২ তারিখে সঠিকভাবে আমাদের নির্ধারণ করতে হবে, কাদের দিয়ে আমরা দেশ পরিচালনা করব। পরবর্তী ধাপ হচ্ছে, এই দেশকে পুনর্গঠন করা। এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। এটিই হবে আমাদের একমাত্র সামনের লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্যে। এ সময় বিএনপি সরকার গঠন করলে ঢাকা-১৬ আসনে হাসপাতাল তৈরি প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে, সেজন্য আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবো। বেশ কয়েকটি এলাকা আছে, যেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে থাকতে পারে না। এটা ঢাকা-১৬ এবং আমার আসন ঢাকা-১৭ এলাকায় আছে। সেজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আল্লাহ যদি আমাকে সুযোগ দেন ঢাকা-১৭ এলাকায় স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করবো। একইভাবে ঢাকায়-১৬ এলাকায়ও এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবো।হাসপাতাল স্থাপন-১০০ ফিটের রাস্তা করার প্রতিশ্রুতিঢাকা-১৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্বাচনী এলাকা কাফরুলে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র চেয়ারম্যান বলেন, এই ১২ তারিখের নির্বাচন হতে হবে দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন। দেশ গঠনের নির্বাচন। মানুষের ভাগ্যের পরির্বতনের নির্বাচন। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের নির্বাচন হতে হবে। একইসঙ্গে বিএনপি সরকার গঠন করলে ঢাকা-১৫ এলাকায় হাসপাতাল স্থাপন এবং ১০০ ফিটের রাস্তার কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তুরাগ নদের উপর ব্রিজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতিএরপর ঢাকা-১৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির নির্বাচনী এলাকা মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে জনসভায় তারেক রহমান বলেন, ১২ তারিখে আপনাদের (ভোটার) সমর্থনে এবং ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করলে আমরা যতদ্রুত সম্ভব এখানে একটি সরকারি হাসপাতাল তৈরির কাজে হাত দেবো। এই এলাকা থেকে তুলি নির্বাচিত হলে এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে যতদ্রুত সম্ভব এই তুরাগ নদের উপর ব্রিজ স্থাপনের কাজ শুরু করবো।তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী মানুষকে ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করে বিভিন্ন রকম কথা বলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় তারা চেষ্টা করছে যে, বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার। এরই মধ্যে আমরা দেখেছি, তাদের দলের লোকজন নকল সিল বানাতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তাদের লোকজনেরা মা-বোনদের কাছে গিয়ে কীভাবে তাদের এনআইডি নম্বর নিয়েছে, তাদের বিকাশ নম্বর নিয়েছে, তাদের বিভ্রান্ত করার জন্য। অতিতেও আমরা দেখেছি, দেশ স্বাধীনের সময় কীভাবে তারা দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল। আমরা দেখেছি, ’৯০-এর আন্দোলনের সময় তারা কীভাবে জনগণকে ফেলে রেখে সেই ’৯০-এর স্বৈরাচারের সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। বিভিন্ন সময় এই মহলের জনগণ ফেলে রেখে চলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত আছে। আজ আবার আমরা দেখছি, তারা বিভিন্ন কথা বলে জনগণ বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তারা ভেতরে ভেতরে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে।ভোটারদের উদ্দেশ্যে বিএনপি’র চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। যেন আবার আপনাদের ভোটকে কেউ আমি-ডামির নির্বাচন করে বাক্সে বন্দি করতে না পারে। আবার আপনাদের ভোটের অধিকারকে কেউ যেনো ছিনতাই করে নিয়ে যেতে না পারে। আবার আপনাদের ভোটের অধিকারকে ষড়যন্ত্র করে কেউ যাতে পাল্টে দিতে না পারে। একটি নিরাপদ দেশ তৈরি করতে চাইঢাকা-১৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজের নির্বাচনী এলাকা শ্যামলী ক্লাব মাঠে আয়োজিত জনসভার বক্তব্যে বিএনপি’র চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে বিএনপি হচ্ছে সেই রাজনৈতিক দল, যে দল দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে জন্য অনেকগুলো পরিকল্পনা নিয়েছে। যদি আপনারা বিএনপিকে জয়যুক্ত করেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। আমরা চাই, এমন একটি পরিস্থিতি ও দেশ তৈরি করতে যেখানে আমাদের মা-বোনরা সকাল, দুপুর এবং রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে। আমরা চাই, আমাদের তরুণ-যুবক ভাইরা তারা যাতে নিশ্চিন্তে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে। আমরা চাই, এলাকাবাসী নিশ্চিন্তে তাদের বাসায় ঘুমাতে পারবে। সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে সবচেয়ে যে বিষয়টিতে আমরা জোর দেবো, সেটি হলো আইনশৃঙ্খলার ব্যবস্থা করা এবং রাস্তাঘাটের অবস্থা নিরাপদ করা। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। যতক্ষণ পর্যন্ত দেশের আইনশৃঙ্খলাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ না করা যায় ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ঢাকাসহ গ্রামগঞ্জের মানুষ জলাবদ্ধতার কষ্টে ভোগে। আমি ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে বলে দিতে চাই, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে পরদিন থেকেই আমাদের কাজ হবে, এই এলাকার মানুষের জলাবদ্ধতার সমস্যার সমাধান করা। আর আমাদের সবচাইতে বড় শক্তি হলো বাংলাদেশের মানুষ।দেশ পরিবর্তনের এই নির্বাচনঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হকের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে আয়োজিত জনসভায় তারেক রহমান বলেন, এই নির্বাচন হবে বাংলাদেশকে পরিবর্তনের নির্বাচন। গত ১৬ বছর আমরা দেখেছি, মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কিছু মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বিএনপি ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দলের জনগণের ভাগ্যে পরির্বতনের কর্মসূচি নেই। বিএনপি’র একমাত্র পরিকল্পনা আছে। আমাদের এই শপথ নিতে হবে, আগামী দিনের রাজনীতি হতে হবে দেশ গঠনের রাজনীতি, আগামী দিনের রাজনীতি হতে হবে মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তনের রাজনীতি। তিনি বলেন, এই এলাকায় জলাবদ্ধতা যাতে আমরা ঠিক করতে পারি। এ ছাড়াও এলাকায় আরও যে অন্যান্য সমস্যা আছে, সেগুলোকেও আমাদের ঠিক করতে হবে। এ সময় সাইফুল হকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কোদাল প্রতীক তুলে দিয়ে উপস্থিত জনতাকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। জনসভাগুলোতে কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং যুবক, তরুণের কর্মসংস্থান তৈরি, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়ে বিএনপি’র পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান।ওদিকে তারেক রহমানের ৭টি জনসভাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে এসব এলাকায় থানা বিএনপি এবং দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা হাতে ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ধানের শীষ নিয়ে এবং মাথায় ক্যাপ পরে সভায় অংশ নেন। এ ছাড়া জনসভাকে ঘিরে এসব এলাকায় এবং এবং এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদেরও মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে। জনসভায় বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফরহাদ হালিম ডোনার, নাজিম উদ্দিন আলম, ড. মাহদী আমিন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ইসিবি চত্বরে পথসভায় সাবেক সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া এসব জনসভায় জুলাই-আগস্ট গনঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/