
মাহমুদুল হাসান রাসেলঃ
ইতিহাসে এমন পরিবার খুব কমই আছে, যেখানে বাবা, মা এবং ছেলে—তিনজনই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের আসনে বসেছেন। রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, গণআকাঙ্ক্ষা এবং ব্যক্তিগত নেতৃত্বগুণ—এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এমন উদাহরণ বিশ্বরাজনীতিতে বিরল হলেও একেবারে অনুপস্থিত নয়।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ জুলফিকার আলী ভুট্টো–বেনজির ভুট্টো–বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি পরিবার।
এই পরিবারে রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়েছে।
ভারতের ক্ষেত্রে জওহরলাল নেহরু–ইন্দিরা গান্ধী–রাজীব গান্ধী পরিবারও উল্লেখযোগ্য।
যদিও এখানে মা–ছেলে ধারাবাহিকতা রয়েছে, বাবা–মা–ছেলে একসঙ্গে রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার ধারাটি আংশিকভাবে পূরণ হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পরিবার প্রভাব বিস্তার করেছে—যেমন যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ও জর্জ ডব্লিউ. বুশ পরিবার, কিংবা কানাডায় পিয়েরে ট্রুডো ও জাস্টিন ট্রুডো। তবে বাবা–মা–ছেলে—তিনজনই রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান হওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিবারে রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছোটবেলা থেকেই গড়ে ওঠে। জনপ্রিয়তা, দলীয় ভিত্তি এবং সাংগঠনিক শক্তি প্রজন্মান্তরে স্থানান্তরিত হয়। তবে সমালোচকেরা একে “রাজনৈতিক বংশবাদ” হিসেবে দেখেন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার প্রশ্ন তোলেন।
বাবা- জিয়াউর রহমান, মা–বেগম খালেদা জিয়া, ছেলে: তারেক রহমান একই পরিবারে তিন রাষ্ট্রনায়কের বিরল দৃষ্টান্ত একই পরিবারে তিন রাষ্ট্রনায়ক হওয়া বিশ্বরাজনীতিতে এক বিশেষ দৃষ্টান্ত। এটি যেমন পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন, তেমনি গণসমর্থনেরও বহিঃপ্রকাশ। ইতিহাসে এমন নজির খুব কম, আর তাই এই ধরনের পরিবার সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে থাকে।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/