
নিজস্ব প্রতিনিধি :
দেশের ৩৯৫ টি উপজেলায়ই টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে, এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন । এমন কথা বললেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. মিলন। ভবিষ্যত প্রজন্মকে বিশ্ব মানের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, আজ সংসদে সরকার দলীয় এমপি এডভোকেট জয়নাল আবেদীন এর এক প্রশ্নের জবাব দেয়ার পূর্বে প্রধানমন্ত্রী আমাকে ডেকে প্রতিটা উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেন । শিক্ষা মন্ত্রী ড.আ ন ম এহসানুল হক মিলন আজ ১৬ এপ্রিল, ( বৃহস্পতিবার), রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া এমপি সভাপতির বক্তব্যে " শিক্ষকদের বহুদিনের পুঞ্জিভূত সমস্যাবলী তুলে ধরেন। "বর্তমান সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রগতি " শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া শুনেন এবং বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রগতি ও গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। মন্ত্রী নলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কল্যানে প্রতিষ্ঠিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কল্যান বোর্ড থেকে বিগত সৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষকদের টাকা লুটপাট করা হয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষক জীবনের শেষ বয়সে তাদের পাওনা টাকা না পেয়ে কষ্টের মধ্যে জীবনের সমাপ্তি টেনেছেন। অনেকে টাকার অভাবে চিকিৎসা না করে অসুস্থায় জীবন কাটাচ্ছেন। শিক্ষকদের এমন মানবেতর জীবনযাপন থেকে মুক্তি দেয়ার লক্ষ্যে ক্ষমতায় এসেই আমরা অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক কল্যান বোর্ড পুনর্গঠন করার পদক্ষেপ নিয়েছি। সরকারি আমলাদের নেতিবাচক মনোভাব থাকা সত্বেও কল্যান বোর্ডে শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়েছি। মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বিএনপি সরকার শিক্ষক বান্ধব সরকার। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের আমলে শিক্ষকদের সমস্যাবলী সমাধান ও সকল সুযোগ সুবিধা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ। শিক্ষকদের পদোন্নতি দীর্ঘকাল যাবত বন্ধ রয়েছে। আমরা আগামী ১৮ এপ্রিল শুক্রবার সকালে শিক্ষকদের পদোন্নতির পরীক্ষা গ্রহন করার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো,অজ্ঞাত কারনে আজ সকালে এই শিক্ষক পদোন্নতির পরীক্ষা হাইকোের্টে একটি রিটের মাধ্যমে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তিনি আফসোস করে বলেন, কোন যুক্তিতে এমনটা করা হলো আমার বোধগম্য নয়। শিক্ষকরা আবার পিছিয়ে গেল। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাইমারী স্কুলের ৬৫ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য হয়ে আছে দেড়যুগেরও বেশী সময় ধরে। আইনি জটিলতায় এই নিয়োগ দেয়া যাচ্ছেনা। আমরা অচিরেই এ সকল সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অনুষ্ঠানে সারা বাংলাদেশ থেকে আগত শিক্ষক প্রতিনিধিগন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের মহাসচিব জাকির হোসেন।

প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/