
এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল, ঢাকা | ২ মে ২০২৬
রাজনীতির ব্যস্ত অঙ্গন ও জনজীবনের কঠিন বাস্তবতায় ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো যখন প্রায়ই প্রকাশ্য আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই ব্যতিক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছেন ও তার সহধর্মিণী । জনসম্মুখে তাদের উপস্থিতি সংযত, প্রকাশভঙ্গি মিতভাষী—তবে আড়ালের গল্প যেন এক গভীর, নীরব ভালোবাসার উপাখ্যান।
সম্প্রতি এক বৃষ্টিভেজা দিনে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি মুহূর্ত নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেখানে দেখা যায়, তারেক রহমান তার স্ত্রীর হাত ধরে আছেন—নিঃশব্দ, স্বাভাবিক, অথচ গভীর অর্থবহ এক দৃশ্য। উপস্থিতদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে ছিল না কোনো প্রদর্শন; বরং প্রতিফলিত হয়েছে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক নির্ভরতা, বিশ্বাস ও অন্তর্নিহিত ভালোবাসা।
এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় আড্ডার সঙ্গী আমার স্ত্রী। আজ পর্যন্ত জোবাইদার মুখে আমি কোনোদিন ‘না’ শুনিনি।”—এই উক্তিই তাদের সম্পর্কের বোঝাপড়া ও আন্তরিকতার পরিচায়ক।
রাজনৈতিক জীবনের প্রতিকূল সময়গুলোতেও ডা. জোবাইদা রহমান ছিলেন তারেক রহমানের অবিচল সহচর। নানা চাপ, সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও তিনি ছায়ার মতো পাশে থেকেছেন—যা একজন নেতার ব্যক্তিগত দৃঢ়তার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। সংশ্লিষ্টদের মতে, তার শান্ত, সংযত ও সহনশীল ব্যক্তিত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারেক রহমানকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকেও দাম্পত্য সম্পর্কের এই গভীরতা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র -এ বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য ‘পোশাকস্বরূপ’ (সূরা আল-বাকারাহ ২:১৮৭)—যা পারস্পরিক সুরক্ষা, সম্মান ও ভালোবাসার প্রতীক। এই আলোকে দেখলে, তাদের সম্পর্ক একটি সংযত কিন্তু শক্তিশালী বন্ধনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে বাহ্যিক প্রকাশের চেয়ে গভীরতা অধিক মূল্যবান।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ ধরনের স্থিতিশীল ও সংযত পারিবারিক সম্পর্ক নেতাদের মানসিক ভারসাম্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের সম্পর্ক প্রমাণ করে—সত্যিকারের ভালোবাসা কেবল প্রকাশে নয়; বরং নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা, আস্থা এবং নীরব শক্তির মধ্যেই তার প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/