
নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। মন্গলবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী ড.আ ন ম এহসানুল হক মিলন এ কথা বলেন। কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী তরেক রহমান প্রমান করলেন নির্বাচন পূর্ব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি অত্যন্ত সচেষ্ট। তিনি যা বলেন তা করেন।
কৃষকদের জন্য চালু হওয়া কৃষক কার্ড কর্মসূচিকে ‘নতুন হালখাতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছাবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকদের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। তিনি কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো ও মধ্যস্বত্বভোগী কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয়ে বলেন, এই কৃষক কার্ড কৃষকদের আত্ন মর্যদা এবং আত্ন বিশ্বাশ বাড়িয়ে দিবে। ফলে এতে রাষ্ট্রের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কৃষকদের অবদান আরো বেগবান হবে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বগুড়াকে শিক্ষা খাতে একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বগুড়াকে কেন্দ্র করে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়া কে একটি আধুনিক শিক্ষা নগরীতে গড়ে তোলা হবে।
প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
শিক্ষকদের জন্য উৎসব ভাতা শতভাগ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়াতে সরকার কাজ করছে।
পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কথাও উল্লেখ করেন। প্রতিটি উপজেলায় পরীক্ষা গ্রহণের সুবিধাসহ মাল্টিপারপাস হল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। কার্ডধারীরা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বছরে ২,৫০০ টাকা সহায়তা, কৃষি উপকরণ ক্রয়, সহজ ঋণ ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। এই কর্মসূচিতে প্রান্তিক, ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/