
সাইফুল ইসলাম:
আসন্ন গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান-এর স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দিশেহারা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছিল।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াল ও বেদনাবিধুর অধ্যায়। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা চালায়। গভীর রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র, শিক্ষক, পুলিশ, ইপিআর সদস্য ও সাধারণ মানুষ নির্মমভাবে নিহত হন।
তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুঃসহ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করে। এর ধারাবাহিকতায় শুরু হয় মহান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, যা দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বিজয়ে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সকল শহীদকে স্মরণ করেন এবং তাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে ১৯৭১ সালের গণহত্যার নির্মমতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা সম্পর্কে জানতে হবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি উন্নত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শেষে তিনি ২৫ মার্চসহ দেশের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
প্রধান সম্পাদক : মো. আবদুল লতিফ জনি, সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহাবুবুল হক, বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়: ১৭৭, মাহতাব সেন্টার, ৮ম তলা, বিজয়নগর, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০। ফোন নাম্বার: +৮৮০২৯৬৯৭৪৮৮৮৯, ই-মেইল: editor.dso@gmail.com, ওয়েবসাইট: https://shirsoaparadh.com/